Advertisement

তুমি দেখো!


তুমি দেখো!
সুচন্দ্রা চক্রবর্তী 

যখন ফিরছিলাম আজ মায়ের ওষুধগুলো কিনে,
হঠাৎই রাস্তার ওপাশে দেখতে পেলাম দুই প্রেমিক-প্রেমিকাকে,
একে অপরের হাতটা কোমল অথচ দৃঢ়ভাবে মুঠোবন্দি,
ওদের চোখেমুখে আছে কাছের মানুষটিকে পাওয়ার তীব্র আনন্দ,
সেই সাথে ভয়ও,এই বুঝি হারিয়ে গেল প্রিয়জনটি,
ঠিক যেন পঁচিশ বছরের আগের ঋক-অভিষিক্তা,
কলেজের ক্লাস বাঙ্ক করে ঠিক এভাবেই তো আমরাও ময়দানে হাঁটতাম,
তারপর কত ঘটনার স্রোত বয়ে গেল দুটি জীবনের ওপর দিয়ে,
অভিষিক্তাকে জোর করে গছিয়ে দেওয়া হল অন্য এক পুরুষের হাতে,
সে পুরুষ শুধু অধিকার ফলানো ছাড়া আর কিছু বোঝেনি কোনোদিন,
তারপর সেও একদিন মারা গেল অ্যাক্সিডেন্টে,আর শাশুড়িমাই হয়ে উঠল মা মরা অভিষিক্তার সবটা,
অভিষিক্তার মেয়ে শ্রেয়া আজ কলেজের ছাত্রী,
আর ভালোবাসার মানুষটাকে হারিয়ে ঋক রইল অবিবাহিত,
দত্তক নিল অনাথ শিশু দেবার্পণকে,
শ্রেয়া-দেবার্পণকে দেখে আমি আজ বড্ড খুশি,জানো ঋক?
ঋক-অভিষিক্তা এক হতে পারেনি,কিন্তু শ্রেয়া-দেবার্পণকে কেউ আলাদা করতে পারবেনা,তুমি দেখো!

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

2 মন্তব্যসমূহ