অষ্টমী তিথি
সুচন্দ্রা চক্রবর্তী
প্রথম পর্ব
— 'ও মাম্মাম,এরকম কেন করছ?যেতে দাও না প্লিজ।'তিথি রেশমির হাতদুটো ধরে করুণ সুরে বলল।
— 'এখন বড় হয়েছিস,আর মাম্মামের কথা কেন শুনবি বল?যা খুশি তাই করগে যা,আমায় বলতে আসিস না।'
— 'রেশমি একরম কেন করছ বলোতো?যেতে দাও না ওকে!মেয়ে বড় হচ্ছে রেশমি, আর কতকাল ওকে আঁচলের তলায় রাখবে শুনি?'ব্যঙ্গের সুরে বলল রজত।
— 'হ্যাঁ বাপি,মাম্মামকে বোঝাও না প্লিজ।আমার কোনো কথাই শোনে না!সবসময় খালি টেনশন করে আমায় নিয়ে।'
— 'টেনশন কি সাধে করছি মা!তুমি যদি সবটা জানতে...'
— 'আহ,তুমি থামো তো'রেশমিকে থামিয়ে দিয়ে রজত বলে,'তিথি,তুই এখন যা,আমি তোর মাম্মামকে ঠিক বুঝিয়ে বলব।'
— 'লাভ ইউ বাপি'বলে চলে গেল তিথি।'
— 'কোন্ আক্কেলে তুমি মেয়েটাকে ওই গ্রামে পাঠাতে রাজি হলে?তাও আবার পুজোর সময়? সব জেনে শুনেও তুমি...'
— 'রেশমি আমি সবই জানি,কিন্তু এটাও জানি যে সেসব ঘটনার পর এক দু বছর নয়,পাক্কা পঁচিশটা বছর কেটে গেছে রেশমি,পঁচিশটা বছর।আজ সূর্যনগর বেমালুম ভোল পালটেছে।তাই কোনো ভয় নেই তোমার।তাছাড়া তোমার সখির কথাগুলো কি তুমি ভুলে গেছ?'
— 'না ভুলিনি,কিন্তু ভুলতে চাই।রজত সেসময় আমি শুধুমাত্র একজন বন্ধু ছিলাম,কিন্তু আজ আমি মা।আর মা হয়ে কোনো শর্তেই মেয়েকে বিপদের মুখে ঠেলে দিতে পারব না।আর এসবের মাঝে আমি আমার মেয়েটাকে বলি হতে দেব না।'
— 'ভগবান সবসময় তিথির ওপর আছেন,সেটা কি তুমি খেয়াল করো না?তুমি তো জানো কত বড়ো বড়ো বিপদ থেকে তিথি সুস্থভাবে ফিরেছে,যেগুলো বিজ্ঞানের ভাষায় অসম্ভব বলে মনে হয়,তবু তো ঘটেছে রেশমি।'
— 'হ্যাঁ সেটা তো ঠিক,কিন্তু...'
— 'আর কোনো কিন্তু নয়,ওকে যেতে দাও।'
— 'আচ্ছা ঠিক আছে,এত করে যখন বলছ তাহলে যাক।'
— 'হ্যালো অস্মিতা,মাম্মাম রাজি হয়েছে শেষমেশ।এবার কনফার্ম যাচ্ছি,চল প্ল্যান কর।হাতে কিন্তু খুব বেশি সময় নেই,কালই মহালয়া।আর চতুর্থীর দিনই আমরা যাচ্ছি সূর্যনগর,গোছগাছ শুরু করে দিতে হবে এবার।'খুব উচ্ছ্বসিত হয়ে অস্মিতাকে ফোনে বলল তিথি।এদিকে একমাত্র মেয়েকে এত হাসিখুশি দেখে তিথির মা-বাবাও ভীষণ খুশি।
এরপর এসে গেল সেই কাঙ্খিত দিনটি।চতুর্থীর সকাল।ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতেই তিথির ঘুম ভেঙে গেছে,আর মাম্মাম,বাপি,ঠাম্মু বলে সবাইকে হেঁকেডেকে বাড়ি মাথায় তুলছে,আজ যে সূর্যনগর রওনা দেবার দিন।নামের মধ্যে নগর থাকলেও সূর্যনগর একটি অখ্যাত গ্রাম।বীরভূম জেলায় অবস্থিত এই গ্রামটির কথা প্রায় কেউই জানে না।একসময় এই গ্রামের বড্ড রমরমা ছিল,কারোর নাকি খাওয়া পরার অভাব ছিল না।তারপর কি যে হল,হঠাৎ দুর্ভিক্ষ দেখা দিল।সেও আজ চব্বিশ-পঁচিশ বছর আগের কথা।শোনা যায়,গ্রামের রাজবাড়ির বড়ো মেয়ে কোনো এক অ্যাক্সিডেন্টে মারা যায়,তারপরই নাকি এমন আকালের দিন শুরু।রাজবাড়ির বড়ো মেয়ে নাকি শুধু সে বাড়ির না,গোটা গ্রামের সকলের চোখে লক্ষ্মী ছিল।তার কাছে কেউ কখনও কিছু চাইলে খালি হাতে ফেরেনি।অবশ্য এগুলো সবই লোকমুখে ঘুরেফিরে আসা কথামাত্র।কলকাতা থেকে সকাল সকাল বেরোলেও গ্রামে পৌঁছাতে পৌঁছাতে দুপুর গড়িয়ে যাবে,তাই তিথির এত তাড়াহুড়ো,হাঁকডাক।
শেষমেশ রওনা হল তিথি,অস্মিতা আর ঝুম্পা,তিন বন্ধু।অস্মিতার এক দূর সম্পর্কের মাসি বর্তমানে রাজবাড়ির কর্ত্রী।তাঁরই অনুরোধে তিন বন্ধুর পুজোর সময় সূর্যনগর যাত্রা।তিনজনের পুজোর দিনগুলো রাজবাড়িতেই কাটবে।দশমী কাটিয়ে তারপরই ফিরবে ওরা।
দুপুর দেড়টা নাগাদ সূর্যনগর বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছল তিথিরা।রাজবাড়ি থেকেই একজন লোক এসেছিল ওদের নিয়ে যাবার জন্য।কিন্তু হঠাৎই তিথি বলে উঠল,'আমি এ রাস্তা চিনি,আমিই নিয়ে যেতে পারব তোদের।'
— 'তুই?'অস্মিতা অবাক গলায় বলল,'তুই কখনো এসেছিলি এখানে আগে?'
— 'আমি?কই?'হাজার চেষ্টা করেও তিথি মনে করতে পারল না এখানে সে কবে এসেছিল,কিন্তু এখানকার রাস্তাঘাট তার খুব চেনা,মনে হচ্ছে যেন এই গ্রাম,এই রাস্তা মাঠঘাট তার খুব কাছের,কিন্তু কিছুতেই মনে পড়ছে না যে গ্রামের নাম সে এতকাল শোনেনি পর্যন্ত সেই গ্রামের সমস্তকিছু এত পরিচিত কেন লাগছে তার কাছে!
— 'থাক অনেক ভেবেছিস,'ঝুম্পা বলল,'আর তুইও অস্মিতা,ও যেখান থেকেই জানুক,এই ভর দুপুরে আর রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে ভালো লাগছে না,খিদে পেয়েছে বড্ড,'কপালের ঘাম মুছে ফেলে বলে ঝুম্পা,'এত না ভেবে নিয়ে চল্ তো বাপু রাজবাড়ি,আর ভালো লাগছে না আমার হাঁ করে দাঁড়িয়ে থাকতে।'
— 'হুম ঠিকই বলেছিস।'
এরপর তিথিই তাদের রাজবাড়ি নিয়ে গেল।কিন্তু রাজবাড়িতে ঢুকে তিথি আরও অস্থির হয়ে উঠল,এ বাড়িও যে তার ভীষণ চেনা লাগছে।একদম জন্মজন্মান্তরের সম্পর্ক মনে হচ্ছে এ বাড়ির সাথে।কিন্তু আগের বারের মতই এবারও সে কিছুতেই মনে করতে পারল না যে কিভাবে এই গ্রাম এই বাড়ি তার এত পরিচিত।একটা প্রশ্নচিহ্নের মুখোমুখি দাঁড়িয়েই বাড়িতে ঢুকল তিথি,সাথে দুই বন্ধু।
— 'আরে অস্মিতা তোরা এসে গেছিস?আয় আয়।তোমরাও এসো।'
— 'কুমুদি,ভালো আছো?'অস্মিতা হেসে বলল,'পরিচয় করিয়ে দিই,এ হল কুমুদিনী চৌধুরী,রাজবাড়ির ছোট মেয়ে,আমরা কুমুদি বলি,আমাদের থেকে বছর আড়াই বড়ো হবে।আর কুমুদি,এ হল তিথি,আর এ হল ঝুম্পা,আমার দুই বন্ধু।'
— 'আচ্ছা,এসো সবাই।তা রাস্তায় অসুবিধা হয়নি তো?'
— 'না না কুমুদি,কোনো অসুবিধা হয়নি।'
— 'আচ্ছা,অনেক দূর থেকে এসেছ,আমি শরবত আনতে বলে দিচ্ছি,খেয়ে নাও।তারপর লাঞ্চ করবে।'
একটু পরেই শরবত এল,তার সুগন্ধে চারিদিক ম ম করতে লাগল।
— 'একবার শুধু চুমুক দিয়ে দেখো,'কুমুদিনী বলল,'এ আমাদের রাজবাড়ি স্পেশাল শরবত,একবার খেলে সারাজীবন মুখে লেগে থাকবে।'
—'হুম কুমুদি,যা বলেছ।যখনই আসি,এই শরবত আমায় পাগল করে দেয়।'অস্মিতা বলল।
শরবতে চুমুক দেওয়া মাত্রই সারা শরীরে যেন বিদ্যুৎপ্রবাহ খেলে গেল তিথির,'এ শরবত আমার চেনা,'কিভাবে বানাতে হয় আমি তাও জানি।'
— 'কি বললে?এ শরবত তুমি আগে খেয়েছ?আবার রেসিপিও জানো?এ অসম্ভব তিথি,' কুমুদিনী বলল,'এ শরবত আমাদের রাজবাড়ি ছাড়া যে আর কোথাও পাবে না গো।শোনা যায়,এবাড়ির বড়ো মেয়ে,মানে আমার বড়দিই নাকি এ শরবত প্রথম বানিয়েছিলেন।তারপর থেকে এ আমাদের রাজবাড়ির ঐতিহ্য হয়ে গেছে বাবার হুকুমে।দিদি যখন ছিলেন তখন নিজের হাতেই শরবত বানাতেন।আজ তিনি নেই,কিন্তু রেসিপিটা রয়ে গেছে।'
— 'বড়দি?মানে যিনি অ্যাক্সিডেন্টে মারা গেছেন?'
— 'হ্যাঁ উনিই।আমার যখন মাত্র দেড় বছর বয়স তখনই কিভাবে যেন আগুনে পুড়ে উনি মারা যান,আমি তখন এতটাই ছোট যে ভালোভাবে মনেও নেই ওনার মুখটা।'
— 'কি নাম ছিল ওনার?'
— 'অষ্টমী চৌধুরী।শোনা যায় অষ্টমী তিথিতে ওনার জন্ম তাই এমন নাম ছিল।'
— 'কুমুদি,ওনার কোনো ছবি আছে?'তিথি সাগ্রহে জিজ্ঞেস করে।
— 'নাগো,ওনার কোনো ছবি তো দূর,কোনোরকম স্মৃতিও আমরা রাখিনা।উনি মারা যাওয়ার পরই বাবা কথা বলার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন,আর প্যারালাইজড হয়ে পড়েন।আর এই কারণেই দিদির নামও উচ্চারণ করা হয় না বাবার সামনে।কারণ দিদির কথা মনে পড়লেই উনি প্রচন্ড কষ্ট পান।একারণেই দিদির কোনো ছবি কোনোদিন আমিও দেখিনি,উনি কেমন দেখতে আমি জানি না,শুধু নামটুকু জানি।আর শুনেছিলাম দিদির এক প্রেমিকও ছিল,তার সাথে নাকি দিদির বিয়েও ঠিক হয়েছিল।কিন্তু দিদির মৃত্যুর পর সে নিরুদ্দেশ হয়ে যায়,তারপর তারও খোঁজ পাওয়া যায়নি।'
— 'ওরে বাবা,কত্ত কাহিনী গো তোমাদের ফ্যামিলির!সব রাজবাড়িতেই বোধহয় এমন গল্প থাকে তাইনা?' ঝুম্পা বলে ওঠে।
— 'একি তিথি কোথায় গেল?' অস্মিতা চারিদিকে তাকিয়ে বলল,' গ্রামে ঢোকা থেকে এই মেয়েটার আচরণ আমার মোটেও ভালো ঠেকছে না,এখন আবার একা একা কোথায় চলে গেছে....'
— 'আরে ওই তো তিথি,'ওরা দেখে একপাশের থামে হেলান দিয়ে তিথি দাঁড়িয়ে আছে,আর চোখ দিয়ে জল পড়ছে।
— 'তিথি তোর কি হয়েছে বল তো,'অস্মিতা ওর মাথায় হাত বুলিয়ে বলল,'দেখ আঙ্কেল আন্টি আমার ভরসাতেই তোকে ছেড়েছে,এখন তুই যদি এমন করিস আমার টেনশন হয়না বলতো?কি হয়েছে তোর?'
— 'জানিনা রে,আমি কিচ্ছু জানিনা।কুমুদির কথা গুলো শুনে মনে হচ্ছে এ ঘটনাগুলোও যেন আমার জানা... কেন আমার এমন হচ্ছে বলনা অস্মি,কেন?আর কিছুতেই হিসেব মেলাতে পারছিনা, এ গ্রাম এ বাড়ি আমার এত চেনা লাগছে কেন?আমি এই গ্রামটার নামটা অব্দি জানতাম না রে....'
— 'তুমি রেস্ট নাও তিথি,অনেকটা রাস্তা এসেছ,ক্লান্ত আছ তাই হয়ত এমন হচ্ছে।'কুমুদিনী বলল,'এস তোমাদের গেস্টরুমটায় পৌঁছে দিই।
— 'দরকার নেই কুমুদি,আমি গেস্টরুম চিনি।'
সবাইকে অবাক করে দিয়ে তিথিই নিয়ে গেল গেস্টরুমে।
সকলেই খুব অবাক হল,তবুও তিথিকে কেউ কিছু বলল না।
— 'তোমরা এখন রেস্ট নাও,বিকেলে বাড়ির সকলের সাথে আলাপ করিয়ে দেব,কেমন?'
কুমুদিনী চলে গেল।
এরপর বিকেলে একজন বয়স্কা মহিলা ওদের ডাকতে এল,'দিদিমণিরা,কই গো বসার ঘরে চলো গো,রাণীমা তোমাদের ডেকে পাঠিয়েছেন।'
মহিলাটি ওদের তিনজনকে বসার ঘরে নিয়ে গেল।সেখানে বসে চা খাচ্ছিলেন এক প্রৌঢ়া,আর তাঁর পাশে বসে আছেন এক মাঝবয়সী পুরুষ।
— 'মাসিমণি,অবিনাশদা কেমন আছ?'অস্মিতা এগিয়ে এল।
— 'অস্মি মা,এই চলে যাচ্ছে।তোরা কেমন আছিস বল্?'
— 'এই তো আছি মোটামুটি।দাঁড়াও পরিচয় করিয়ে দিই,এই হল আমার মাসিমণি,এবাড়ির রাণী চামেলী চৌধুরী আর এ অবিনাশদা,রাজবাড়ির মেজছেলে আর মাসিমণি এই হল ঝুম্পা,আর এ তিথি,একি তিথি কোথায় গেল?'
— 'সেটাই তো,আমাদের সাথেই আসছিল আবার কে জানে কোথায় চলে গেছে।'
— 'নিশ্চয় রাজবাড়ি ঘুরে দেখছে,'রাণীমা বললেন,'অস্মি অত ব্যস্ত হোসনে তুই।'
— 'ব্যস্ত কি সাধে হচ্ছি মাসিমণি,এসে থেকেই ওর আচরণ মোটেও সুবিধের ঠেকছে না আমার।'
— 'ওই তো তিথি এসে গেছে।'ঝুম্পা বলে উঠল।
— 'কোথায় গিয়েছিলি রে তুই?উফ তোর টেনশনে আমি এবার মরে যাব,'অস্মিতা বলল,'মাসিমণি,অবিনাশদা,এই হল তিথি।'
তিথিকে দেখেই রাণীমা আর অবিনাশের চোখমুখ পালটে গেল।যেন ভূত দেখছে ওরা,এইভাবে ভয়ার্ত চোখে তিথিকে পর্যবেক্ষণ করতে লাগল ওরা।অন্যদিকে তিথিও অবাক হয়ে ওদের দিকে তাকিয়ে রইল,তার মুখ দিয়ে আনমনেই বেরিয়ে এল,'খুব চেনা।'
অস্মিতা আর ঝুম্পা এই কান্ড দেখে হতবাক।'ও মাসিমণি,কি হল?'
অস্মিতার ডাকে ঘোর কাটল ওদের।কিন্তু তবুও রাণীমা স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন তিথির দিকে।
— 'মায়ের হয়ত কোনো কারণে শরীরটা খারাপ হয়েছে',অবিনাশ পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে বলল,'তোরা এখানে বোস,আমি মাকে নিয়ে ভেতরে যাচ্ছি।'
— 'অবিনাশদা আমি যাব?'
— 'না অস্মি,তুই বোস।'
রাণীমাকে ঘরে নিয়ে গেল অবিনাশ।
— 'অবি,দেখলি?'
— 'হ্যাঁ মা,কিন্তু তুমি যা ভাবছ তা নয়।'
— 'কিন্তু অবি,হুবহু একরকম যে!'
— 'মা তুমি জানো না,তোমার আমার মত দেখতে পৃথিবীতে বেশ কয়েকজন মানুষ আছে।এখানেও ব্যাপারটা সেরকমই।আমিও প্রথমে দেখে চমকে উঠেছিলাম ঠিকই,কিন্তু পরে ভালো করে ভেবে দেখলাম ব্যাপারটা।এটাকে এত সিরিয়াসলি নিও না তো!'
— 'সত্যি তো অবি?ও তাহলে....'
— 'হ্যাঁ ও তিথি।শুধুই তিথি।আর কিচ্ছু না বিশ্বাস করো।আর তুমি এইভাবে ভয় পেয়ে আরও ঝামেলা বাড়িও না।'
— 'হ্যাঁ তাও ঠিক।'
— 'হুম তুমি এখন বসার ঘরে চলো দেখি,নয়ত ওরা আবার কি ভাববে কে জানে।'
পরবর্তী ভাগ পড়ুন : দ্বিতীয় পর্ব

0 মন্তব্যসমূহ