Advertisement

অমূল্য রতন



— 'তোর আর নীলাশার মধ্যে কি কিছু চলছে? দুজনের লাস্ট সিন সবসময় এত মিলে যায় কি করে?' 

— 'কোইন্সিডেন্স ভাই। বাট আমরা যাস্ট ভালো বন্ধু, এর বেশি আর কিচ্ছু না, ওকে?' 


— 'আকাশের সাথে এসব ইন্টুপিন্টু ক'দিন ধরে চলছে? এই ভ্যালেন্টাইন্স ডে তেই প্রোপোজ করল বুঝি?' 

— 'আজব কথাবার্তা তো? দুজন ছেলে মেয়ে শুধু বেস্টফ্রেন্ড হতে পারে না? ক'টাদিন হেসে কথা বলতে দেখেছিস বলেই ভেবে নিলি আমাদের মধ্যে রিলেশন আছে? অদ্ভুত!' 


 গোধূলি আলোয় পার্কের বেঞ্চে হাতে হাত রেখে বসে আছে আকাশ আর নীলাশা। 

— 'আমাদের বন্ধুগুলো বড্ড জ্বালাতন করছে আজকাল! বোধহয় টের পেয়ে গেছে!' আকাশের কাঁধে মাথা রেখে বলল নীলাশা৷ 

— 'পেলে পাক। যা খুশি ভাবুক। বাট আমরা কিছুতেই স্বীকার করব না সবটা, তাহলেই হাজারটা প্রশ্ন করে ছিঁড়ে খাবে।' নীলাশার চুলে বিলি কেটে দিতে দিতে বলল আকাশ, 'ভালোবাসা, সম্মান, বিশ্বাস এই আন্তরিক অনুভূতিগুলো বড্ড নিজস্ব রে। এইটুকু সুখানুভূতি না হয় আমাদের দুজনের মধ্যেই থাক।' 

— 'সত্যি কথা।' আকাশের গালে হাত রাখল নীলাশা, 'সত্যিকারের ভালোবাসা হল অমূল্য রতন। আর দামী রত্ন খোলা বাজারে না ছড়িয়ে বেড়ানোই ভালো। সেই হীরে মাণিকগুলো না হয় মনের কুঠুরিতেই যত্ন করে তোলা থাক, কি বলিস?' 

— 'একদম।' 


আকাশ চুম্বন করল নীলাশার কপালে। নীলাশা আকাশের বুকে মাথা রেখে চোখ বন্ধ করল। পড়ন্ত বিকেলের রোদ আর ডুবন্ত লাল সূর্য সাক্ষী রইল এই মধুর মুহূর্তের। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ