Advertisement

লেখালেখি কথা

লেখালেখি কথা
সুচন্দ্রা চক্রবর্তী 


লেখালেখিটা আমার হবি,ভালোবেসে লিখি,সবাই যে আমার লেখা পড়বে এই আশা কোনোদিনই করি না,তবু ভালোবেসে যে গুটিকয়েক চেনা অচেনা মানুষ আমার লেখা পড়ে,তাদের আমার তরফ থেকে অনেকটা ভালোবাসা,আমার হাবিজাবি লেখা তারা সময় নষ্ট করে পড়ে।নেগেটিভ কথা বলার লোক যে থাকবে সেটা তো স্বাভাবিক। কিন্তু সমালোচনা হয় কোনো বিখ্যাত লেখা বা ব্যক্তিত্ব নিয়ে।কিন্তু আমি যেরকম পাগলের মতো আবোলতাবোল লিখি,সেগুলো কেউ পড়লেই আমার পাওনা বলে মনে করি,আর সেটা ভালো বললে তো উপরি পাওনা।তো যাই হোক,আমি অনেককে নিয়েই লিখেছি,আমার চেনা কাছের বন্ধু বলে মনে করেছি যাদের,অবশ্য কিছু ক্ষেত্রে সেটা একতরফা ছিল,যাই হোক সেই প্রসঙ্গে আর যাচ্ছি না।তো আজ এসব বেকার বকতে কেন শুরু করলাম?কারণ যখন কাছের কোনো বন্ধুকে নিয়ে তার জন্মদিন বা কোনো স্পেশাল দিনে লেখালেখি করি,হয়ত মনের মধ্যে কিছুটা হলেও আশা থাকে হয়ত সেও আমায় নিয়ে কিছুটা গভীর চিন্তা করবে,আসলে আশায় মরে চাষা আরকি।সবাই যে খুব ভালো করে গুছিয়ে লিখতে পারবে এমনটা বলছিনা,আমি নিজেও জীবনে অত্যন্ত অগোছালো একটা মানুষ,যে প্রায় দিনই এই স্বভাবের জন্য মায়ের বকুনি খায়।আমার আবার বেশি গোছানো টিপটপ কেমন যেন কৃত্রিম কৃত্রিম লাগে,যার জন্য হয়ত আজও শপিং মলের চেয়ে গড়ের মাঠটা বেশি টানে।তো যাই হোক,বাজে হলেও লেখালেখি তো করি,অনেক নায়ক-নায়িকার জীবন নিয়ে ছেলেখেলা করি,তো কিছুটা হলেও মাঝেসাঝে নিজেকেও অন্য কারোর লেখার নায়িকা দেখতে ইচ্ছা হয় বইকি।হোক,একটু অপটুই হোক সে লেখা,ক্ষতি নেই,ওই যে বললাম আমি আবার বড্ড অগোছালো। গোছানো জিনিস আবার আমার হজম হয় না।তাই,কোনো অপটু লেখায় নিজেকে নায়িকা দেখলে খুবই ভালো লাগে।☺☺

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ