কিছু কথা
সুচন্দ্রা চক্রবর্তী
সেদিন একটা নিউজ পোর্টালে দেখলাম একটা খবর, যে খবরে ছিল, কোনো একটা জায়গায় সারা আলি খানকে দেখে এক বয়স্ক ভদ্রলোক চিনতে পারেননি, এরকম ধরনের ছিল খবরটা। তো সেখানে দেখলাম 'কেন সারা কি মহান কাজ করেছে যে ওকে চিনতে হবে?' টাইপের কমেন্টে ভর্তি। অথচ বাস্তব ক্ষেত্রে কিন্তু আমি উল্টোটাই হতে দেখেছি সবসময়। ছোট থেকে আজ পর্যন্ত আমি রক্ষণশীলতায় বেড়ে উঠেছি, কলেজে পড়ার আগে হাতে স্মার্টফোন তো দূর, সেই পুরোনো আমলের ছোট মোবাইলও দেওয়া হত না, আজকালকার বাচ্চাদের মতো হাতে কাড়ি কাড়ি টাকা হাতখরচও দেওয়া হত না, এমনকি টিভি দেখার ক্ষেত্রেও ছিল রক্ষণশীলতা। টিভি দেখার কয়েকটা নির্দিষ্ট সময় আর নির্দিষ্ট চ্যানেল ছিল, তার বাইরে বেরোনোর উপায় ছিল না, সহজ কথায় আজকালকার স্কুলপড়ুয়াদের মতো আমার কাছে শুধু পড়াশুনা ছাড়া আর কোনোটারই তেমন বাহুল্য ছিল না।
নতুন গান বেরোলে সেটা প্রথম শুনতাম কোনো মাইকে বাজলে তবেই, এমনকি অনেক কার্টুন চরিত্রের নামও জানা ছিল না তখন। তো সেই সময়টায় আমি অরিজিৎ সিংকে চিনতাম না, যদিও গান গুলো তখন থেকেই মাইকে শুনতাম যখন বেশ লাগত, কিন্তু ওনাকে চিনতাম না। তো সেই কারণে আমায় নিয়ে কম হাসাহাসি হয়নি, প্রায়ই কোনো হিন্দি গান শুনিয়ে আমায় জিজ্ঞেস করা হত, বল্ তো এটা কার গান? আমি উত্তর দিতে পারতাম না, তাই আমায় নিয়ে চলত হাসাহাসি।
_________________________
একটি সনির্বন্ধ অনুরোধ : পড়ুন
_________________________
আজ এত কথা লেখার একটাই কারণ, যাঁরা সোশ্যাল মিডিয়ায় কমেন্ট করেন এত বড়ো বড়ো গুণের কথা, জ্ঞানের কথা, খোঁজ নিয়ে দেখুন তাদের অনেকেই সেই কথাগুলো বাস্তবে মানে না। 🙂
1 মন্তব্যসমূহ
ভীষন বাস্তব, যথার্থই লেখা খানি একদম ❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️
উত্তরমুছুন