Advertisement

অচিন পাখি

অচিন পাখি
সুচন্দ্রা চক্রবর্তী 

অন্যদিনের মতই আজও সকালে অ্যালার্মের আওয়াজে ঘুম ভাঙল রাজদীপের।দাঁত মাজতে মাজতে ক্যালেন্ডারটার দিকে এগিয়ে গেল ও।আজ নভেম্বরের পঁচিশ,তার মানে হাতে মাইনেটা আসতে আর সপ্তাহখানেক।মাইনেটা হাতে এলেই মা-বাবাকে নতুন সোয়েটার কিনে দেবে ও।যদিও তাঁরা সোয়েটার পুরোনো হয়ে গেলেও মুখ ফুটে কিছুই বলেন না।

হঠাৎ রাজদীপের মনে পড়ল,কাল নভেম্বরের ছাব্বিশ।চার বছর আগের এই দিনেই দেবাদৃতা পাকাপাকিভাবে বিদায় নিয়েছিল রাজদীপের জীবন থেকে।সেই দিনগুলোর কথা ভাবলে অজান্তেই রাজদীপের মুখে হাসি ফুটে ওঠে।তখন দেবাদৃতা তার জীবনে ছিল,জীবনটাই রোদ ঝলমলে ছিল যেন!তারপর হঠাৎই মন কষাকষি,অভিমান থেকে রাগ,রাগ থেকে দূরত্ব।চার বছর আগে ২৬ শে নভেম্বর ডিভোর্স হয় তাদের,রাস্তা আলাদা হয়ে যায় দুই পরম আত্মীয়ের।তারপর থেকেই রাজদীপও কেমন যেন বদলে যেতে শুরু করে।অমন প্রাণোচ্ছল ছেলেটা পরিণত হয় অন্যমনস্ক গম্ভীর মানুষে।ওর মা বাবা বহুবার বলেছে,'একটা কাগজ দিয়ে কি সম্পর্ক ভাঙা যায় বাবা?নিয়ে আয়,ফিরিয়ে নিয়ে আয় ঘরের লক্ষ্মীকে।'

কিন্তু অভিমান বড়ো বালাই,তাই আর মিলন হল না দুটি জীবনের।

তবে গত একবছর হল রাজদীপ একটু হলেও আগের মত প্রাণোচ্ছল হয়েছে,যা দেখে ওর মা বাবাও কিছুটা নিশ্চিন্ত হয়েছেন।আসলে গত একবছর হল অচিন পাখি বলে এক লেখকের লেখা সে পড়তে শুরু করেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।যদিও লেখককে সে দেখেনি,কারণ লেখকের প্রোফাইলে কোনো ছবি নেই।অচিন পাখির লেখাগুলো পড়লে তার মনে হয়,ঠিক যেন তার জীবনের গল্পটাই কেউ লিখছে!কাজের ফাঁকে সামান্য সময় পেলেই মোবাইল খুলে অচিন পাখির লেখাগুলো পড়ে সে।ভীষণ অন্যমনস্ক হয়ে যায়,কখন আনমনে চোখের কোণ ভিজে যায় সে টের পায়না।

সেদিন সকালে সে মোবাইল খুলে দেখে অচিন পাখি নামক ব্যক্তিটি একটি পোষ্ট করেছে,যাতে সে লিখেছে,'যাঁরা যাঁরা আমার লেখা পড়তে ভালোবাসেন,আগামীকাল চলে আসুন বইপাড়ার কফি হাউসে।দেখা হবে,আড্ডা হবে সবার সাথে।'

রাজদীপের বরাবরই অচিন পাখির লেখা পড়তে বেশ ভালো লাগে,তাই ভাবল এ সুযোগ মিস করা ঠিক হবেনা।প্রিয় লেখকের সাথে আলাপটাও হয়ে যাবে।

যেই ভাবা সেই কাজ। কফি হাউসে বিকেলে পৌঁছে গেল সে। যে লেখকের লেখার ভক্ত সে, সেই লেখককে একটিবার দেখবার বড্ড ইচ্ছা তার। তার মতোই আরও অনেক পাঠক উপস্থিত ছিল কফি হাউসে।
একটু পরেই অচিন পাখি এসে উপস্থিত হল।কিন্তু তার মুখটা দেখা গেল না,কালো শাড়ি পরনে,আর কালো ওড়নায় নিজেকে মুড়ে রেখেছে সে।মুখেরও বেশিরভাগ অংশটাই ওড়নায় ঢাকা,শুধু চশমা পরা চোখদুটো বেরিয়ে আছে।
 উপস্থিত সকলে ছুটে গেল তার কাছে।
—'ম্যাডাম আপনার অটোগ্রাফ চাই ম্যাডাম!'
— 'দিদি আমি জলপাইগুড়িতে থাকি,শুধু একটিবার প্রাণের লেখককে দেখব বলেই এতদূর এসেছি!'

অচিন পাখি সকলের নানা প্রশ্নের উত্তর দিল,অটোগ্রাফও দিল।রাজদীপও গেল তার কাছে,সে বলল,'ম্যাম,আপনার প্রতিটি লেখা আমি পড়ি হাজার ব্যস্ততার মাঝেও।মনে হয় আমারই জীবনের জলছবি কেউ আঁকছে যেন রংতুলি হাতে।কিভাবে জীবনের কথা এমন সহজ ভাষায় লেখেন?'
অচিন পাখি তাকে 'ধন্যবাদ' বলল। এরপর একটি যুবক এল একটা প্রাইভেট কার নিয়ে।অচিন পাখি বলল,'অসংখ্য ধন্যবাদ সকলকে।আপনাদের জন্যই আমি লিখি।আপনাদের আশীর্বাদ এভাবেই চাই।তবে এবার যে আমার ফেরার পালা!কিন্তু চিন্তা নেই,আমি মাঝে মাঝেই আসব,গল্প করব আমার প্রিয় পাঠক-পাঠিকাদের সাথে।' 
অচিন পাখি আর যুবকটি এরপর গাড়িতে উঠে বসল,আর গাড়িটা ছেড়ে দিল।

অন্যদিকে রাজদীপও বাড়ি ফিরে এল।কেমন যেন খুঁতখুঁত করছিল ওর মনটা।ও যখন অচিন পাখির কাছে গিয়ে কথা বলছিল,তখন কেমন যেন ওর মনে হল,অচিন পাখির চোখের কোণে জল।তাছাড়া ওড়নার ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে থাকা চোখদুটোও ওর বড্ড চেনা চেনা লাগল।ও ভাবল,অচিন পাখির মুখটা দেখতে পেলে খুব ভালো হত।
এরপর অচিন পাখিকে ইনবক্সে মেসেজ করতে শুরু করে রাজদীপ।

 — 'ম্যাডাম,কিছু যদি না মনে করেন,একটা কথা বলব?'
— 'বলুন।'
— 'আপনাকে আমার বড্ড চেনা চেনা লাগল,কেন বলুন তো?'
— 'রাজদীপবাবু,পৃথিবী যে গোল।হয়ত আগে কখনও আপনার সাথে আমার দেখা হয়েছে,সেইজন্যেই হয়ত..'
— 'কিন্তু ম্যাডাম,আমি আপনাকে বোঝাতে পারছিনা,আপনার চোখদুটো দেখে মনে হল,দুদিনের আলাপ নয়,এ যেন বহুদিনের অভ্যাস,বহুদিনের চেনা এ চোখ!'
— 'তাই?আপনার কাছের কোনো মানুষের মতো?'
— 'হুম ম্যাডাম।যাই হোক,আমি আবেগের বশে এতকিছু লিখে ফেললাম,আপনি যেন মনে করবেন না কিছু!'
— 'না না,ইটস ওকে।'
— 'কিন্তু ম্যাডাম আমার শুধু একটাই আফসোস রয়ে গেল...'
— 'কি?'
— 'আপনি এত সুন্দরভাবে জীবনের কথা লেখেন,বাঁচতে শেখান ক্লান্ত অবসন্ন মানুষকে,কিন্তু আমাদের জীবনে আলো ছড়ানো মানুষটি এভাবে নিজেকে অন্তরালে রাখেন কেন?আপনি আপনার নাম,চেহারা কোনোটাই প্রকাশ করেননা..'
— 'আলো ছড়াই কিনা আমি জানিনা,যদি ছড়াই,সে তো আমার কলমের কালিতে,আমার নাম বা চেহারার সাথে তার কি সম্পর্ক,তাই না?'
— 'হুম সে আপনি মন্দ বলেননি।'

 এরপর আবারও অচিন পাখি তার পাঠক পাঠিকাদের ডেকেছে,কিন্তু তার মুখ ঢেকে রেখেছে কালো ওড়নায়।রাজদীপ বহু চেষ্টা করেও তার আসল নামটুকু জানতে পারেনি।

এইভাবে বছর দুয়েক কেটে গেল।একদিন সকালে উঠেই রাজদীপ দেখে,অচিন পাখি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা পোস্ট করেছে।পোস্টটায় লেখা আছে,তার একটি উপন্যাস অন্যতম শ্রেষ্ঠ হিসেবে পুরস্কার পেতে চলেছে,আর তার এই উপন্যাসটি নিয়ে একটি সিনেমা বানানোরও কাজ চলছে।

অনেকেই সেই পোস্টে কমেন্ট করেছে,অভিনন্দন।কেউ কেউ জিজ্ঞেস করেছে যে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান কবে।রিপ্লাইয়ে অচিন পাখি লিখেছে,ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ বলে একটি নিউজ চ্যানেলে সরাসরি লাইভ সম্প্রচারিত হবে সেই অনুষ্ঠান।অনুষ্ঠানের সময়,তারিখ সবটাই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টে জানিয়েছে সে।রাজদীপও সেই দিনটার জন্য সাগ্রহে অপেক্ষারত।
এরপর নির্দিষ্ট দিনটি আসতেই টিভির সামনে বসে পড়ল রাজদীপ।অচিন পাখি স্টেজে উঠল।প্রাইজ হাতে দেওয়ার পর ওকে কিছু বক্তব্য রাখতে অনুরোধ করা হল।

সেই একইরকম ওড়নায় মুখ ঢেকে এসেছে সে।সে বক্তব্য রাখার জন্য হাতে মাইকটি নিতেই হঠাৎ কোথা থেকে স্টেজে উঠে পড়ল এক যুবক।এ সেই যুবক,যার গাড়িতে সেদিন অচিন পাখি উঠেছিল ফেরার জন্য।যুবকটি মঞ্চে উঠেই বলল,'আর কতদিন দেবু?আর কতদিন এভাবে নিজেকে পৃথিবীর কাছ থেকে লুকিয়ে রাখবি বলতে পারিস?'

অচিন পাখি কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল,তার আগেই সেই যুবকটি একটানে তার মুখ থেকে কালো ওড়না খুলে দিল,অচিন পাখির মুখ উন্মুক্ত হল সকলের সামনে।রাজদীপ তার মুখ দেখে হতভম্ব হয়ে গেছে,কথা বলার শক্তিটুকুও যেন নেই তার।এ যে দেবাদৃতা,ওর প্রাক্তন স্ত্রী!এতদিনে অচিন পাখিকে চেনা লাগার রহস্য উন্মোচিত হল ওর কাছে।

অন্যদিকে যুবকটির কাছে চলে এল ক্যামেরা,মাইক।তাকে জিজ্ঞেস করা হল,'কে হন অচিন পাখি আপনার?আর আপনি ওনাকে দেবু বলে ডাকলেন কেন?ওনার আসল নাম কি?'

— 'আমি বলছি সবটা,' মাইকটা হাতে নিয়ে অচিন পাখি বলতে শুরু করল,'আমি দেবাদৃতা,দেবাদৃতা ব্যানার্জী।আর ও বিকাশ,বিকাশ ঘোষ।আমার ভীষণ ভালো বন্ধু।যখন সবচেয়ে কাছের মানুষগুলোও সরে গিয়েছিল আমার কাছ থেকে,সেদিন আমার এই বন্ধুটিই আমার পাশে ছিল,উৎসাহ যুগিয়েছে অবিরাম।এককালে আমি লেখালেখি অল্পস্বল্প করলেও তা শুধু ডায়েরির পাতাতেই সীমাবদ্ধ থাকত।বিকাশই আমায় বলেছিল,'দেবু,তোর এই লেখাগুলো ডায়েরির পাতায় লুকিয়ে রাখার জন্য নয়,এই লেখাগুলো জীবনের কথা,প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছানো দরকার এই লেখা,' আর তারপরেই প্রথমে সোশ্যাল মিডিয়া,তারপর একে একে মৌলিক বই,কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।আজ আমি যে এতদূর পৌঁছেছি,এটা বিকাশ না থাকলে হয়ত সত্যিই সম্ভব হত না।'

 এরপরই হঠাৎ এক সাংবাদিক একটু বাঁকা সুরে প্রশ্ন করে বসল,'শুধুই বন্ধু!নাকি আজীবন পাশে থাকার মানুষ?'
— 'বন্ধু হিসেবে অবশ্যই একে অপরের পাশে থাকব আমরা!'
— 'তা বিয়ে করছেন কবে?'
— 'কেন বলুন তো?বিকাশ আমার স্কুলজীবন থেকে ভালো বন্ধু,বন্ধু ছাড়া আর কখনও কিছু ভাবতে পারিনি ওকে,পারবও না।আপনারা কি কোনো ঘটনাই সহজভাবে দেখতে শেখেননি?'

সেদিনই রাতে দেবাদৃতাকে মেসেজ করল রাজদীপ।
— 'কনগ্র‍্যাচুলেশন দেবাদৃতা।আরও উন্নত হয়ে উঠুক তোমার লেখনীশক্তি।সর্বোপরি তোমরা দুজনেই সুখী হও।'
— 'দুজনে বলতে?'
— 'প্লিজ দেবাদৃতা,সবাই সবটা জানে,আর না বোঝার ভান না ই বা করলে!'
— 'আমি সত্যিই কিছু জানিনা মিস্টার রাজদীপ মৈত্র,আপনি ক্লিয়ারলি বলুন যা বলার।'
— 'বাহ দেবাদৃতা,আমায় তুমি আপনি বলছ!বেশ তা ভালো।আমি বলতে চাইলাম তোমার আর বিকাশের বিবাহিত জীবন সুখের হোক।'
— 'হোয়াট?তুমি কি পাগল হয়ে গেছ দীপ?ও আমার বন্ধু ওকে!'
— 'কাম ওন দেবাদৃতা,আমার সাথে তোমার ডিভোর্স হয়ে গেছে  সাত বছরের বেশি,আর আমার কাছে সত্যিটা কেন লুকোচ্ছ?'
— 'দীপ,তুমি সেই একই রয়ে গেলে এখনও,না জেনে না বুঝে শুধু দোষারোপ করা!'
— 'হুম সেই তো,আমার দোষগুলোই তো কেবল চোখে পড়ে তোমার তাই না?আমি তো খুব খারাপ একটা মানুষ!'
— 'দীপ তুমি কিন্তু সবটা না জেনে...'
— 'শাট আপ!আমায় দীপ বলে ডাকে কেবল আমার কাছের মানুষরা,আর কেউ নয়,সো ডোন্ট কল মি দীপ!'
 এরপরেই দেবাদৃতাকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্লক করল রাজদীপ।
 এরপর কেটে গেছে কয়েকমাস।একদিন রাজদীপ তার মা বাবাকে শপিং মলে নিয়ে গেছে কিছু জামাকাপড় কিনে দেওয়ার জন্য।হঠাৎই ও দেখতে পায়,বিকাশও শপিং মলে এসেছে,আর তার পাশে এক যুবতী।বিকাশ যুবতীর হাতটা নিজের মুঠোয় ধরে আছে।সেই যুবতীটি দেবাদৃতা নয়,অন্য একটি মেয়ে।হাসিঠাট্টায় মগ্ন ওরা দুজনে,মাঝে মাঝেই যুবতীটি হাসতে হাসতে বিকাশের কাঁধে মাথা রাখছে।রাজদীপ ছুটে গেল ওদের দিকে।ওকে দেখেই বিকাশ বলল,'আরে তুমি রাজদীপ না?দেবুর এক্স হাজব্যান্ড?'
— 'হুম,তুমি আমায় ঠিকই চিনেছ,আর আমিও তোমায় চিনলাম আজ!'
— 'মানে?'
— 'দেবাদৃতাকে ঠকাচ্ছ কেন?আমাকে না হয় ও আর ভালোবাসেনা,কিন্তু তোমাকে তো বাসে!আর তুমি এভাবে ওর সাথে চিট করছ!'
— 'কি?কি বললে তুমি?দেবু আমায় ভালোবাসে?' হাসতে লাগল বিকাশ।
— 'হুম জানি জানি,তোমার মতো মানুষদের কাছে ভালোবাসা শব্দটা তো অর্থহীন,তাই তো ওদিকে দেবাদৃতার সাথেও প্রেমের অভিনয় করছ,আবার এদিকে অন্য প্রেমিকা নিয়ে ঘুরছ!'
— 'তুমি না সত্যিই পাগল জানো!'হাসতে লাগল বিকাশ,'এতটাই পাগল যে কোনো অ্যাসাইলামেও তোমায় ভর্তি নেবে না!'
— 'পাগল?আমি?'
— 'নয়ত কি!দেবু আমার সেই ছোট্টবেলা থেকে বন্ধু,আর আমার পাশে দাঁড়িয়ে আছে যে,সে হল অবন্তিকা,আমরা দুজন দুজনকে ভালোবাসি,সামনে আমাদের বিয়ে!'
— 'আর দেবাদৃতা!'
— 'সে যে আজও তোমাকেই ভালোবাসে,সেকথা আমি অবন্তিকা সকলেই জানি,শুধু তুমিই বুঝলে না!'
রাজদীপ কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল,ওকে থামিয়ে দিয়ে বিকাশ বলল,'রাজদীপ!এখনও সময় আছে তোমার হাতে,ফিরে যাও ভালোবাসার কাছে,আজও যে দেবু তোমার অপেক্ষাতেই আছে।হুম এটা হয়ত ঠিক যে আমিই ওকে লেখার জন্য উৎসাহ যুগিয়েছি,কিন্তু লেখার প্রতিটি শব্দ,ছন্দ যে তোমায় উৎসর্গ করা,তা কি তুমি আজও বোঝোনি!'
 — 'হ্যাঁ বুঝেছি,সবটা বুঝেছি!সত্যিই তুমি ঠিকই বললে বিকাশ,আমি বড়ো বোকা!' 

বিকাশের কাছ থেকে দেবাদৃতার ঠিকানাটা নিয়ে মা বাবাকে নিয়ে রওনা দিল রাজদীপ।সাত বছরের অভিমান যে ভাঙাতেই হবে আজ তাকে!

(সমাপ্ত)

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ